পরিবারের সবার লাশের সারি দেখে হতবাক মহসিন

কুমিল্লার লালমাই পুলিশ ফাঁড়ির সামনে লাশের সারি। লাশগুলো সব সাদা প্যাকেটে মোড়ানো। একটু আগে নিজের মা-ভাইসহ পরিবারের বাকি চারজনের খণ্ড- বিখণ্ড লাশ চিহ্নিত করে মহসিন। পুলিশ ও সাংবাদিকদের কিছু প্রলাশের সারি দেখে হতবিহ্বল মহসিনশ্নের উত্তর দিয়ে কিছু সময় ফাঁড়ির চারপাশে পায়চারি করে মহসিন। তারপর লাশের সারি সংলগ্ন একটি আম গাছের নিচে বসে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

হতবিহ্বল চোখে তাকিয়ে থাকেন লাশের সারির দিকে। কখনও এক সাথে এতো লাশ দেখেনি মহসিন। তাও আবার মা-ভাইসহ স্বজনের! মহসিন নিহত জসিমের ছোট ভাই। পরিবারের ৬টি লাশ বুঝে নিতে এসেছিলেন লালমাই পুলিশ ফাঁড়িতে।

রবিবার কুমিল্লার বাগমারা সংলগ্ন জামতলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নাঙ্গলকোট উপজেলার ঘোড়াময়দান গ্রামের মৃত আবদুর জব্বারের ছেলে জসিম উদ্দিন, জসিম উদ্দিনের মা সাকিনা বেগম, স্ত্রী সেলিনা বেগম, ছেলে শিপন, ছেলে হৃদয় , মেয়ে নিপু আক্তার ও হোটেল বয় পাটোয়ার গ্রামের হোসেন মিয়ার ছেলে সায়মন নিহত হয়। এছাড়া সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালক একই উপজেলার করপাতি গ্রামের মৃত জিতু মিয়ার ছেলে জামাল হোসেন নিহত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *