ভাসানচরে আনন্দে উচ্ছাসিত রোহিঙ্গা শিশুরা

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো ছিল ঘনবসতিপূর্ণ। ঘরগুলো ছিল বাঁশ আর তারপুলিন দিয়ে তৈরি। ছিল না শিশুদের খেলার মাঠও। সেই পরিবেশ থেকে ভাসানচরের পরিকল্পিত আবাসনে এসে আনন্দে উচ্ছাসিত রোহিঙ্গা শিশুরা।

ভাসানচরে রোহিঙ্গা শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য রয়েছে নানা আয়োজন। তাদের খেলাধুলার জন্য রয়েছে দুটি মাঠ। এর বাইরেও প্রতিটি ক্লাস্টারে স্বল্প পরিসরে খেলাধুলার ব্যবস্থা রয়েছে।

উন্মুক্ত পরিবেশে রোহিঙ্গা শিশুরা অনেক বেশি আনন্দিত ও উচ্ছ্বসিত। খোলা পরিবেশে তারা খেলাধুলা করছে নিজেদের মতো করে। এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

সানাউল্লাহ নামে এক রোহিঙ্গা শিশু বলেন, কক্সবাজারে আমরা খেলাধুলা করতে পারতাম না। আমাদের থাকার জায়গাটাও ছিল খুব ছোট। পাশাপাশি অনেকগুলো ঘর আর মানুষ। তাই বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। এখানে আমরা এক ঘর থেকে অন্য ঘরে ঘুরে বেড়াতে পারছি। রাস্তাগুলোও অনেক বড়।

কক্সবাজারের থেকে ভাসানচরে এসে রোহিঙ্গারা যেন নতুন জীবন পেয়েছেন। খোলা আকাশের নিচে চারদিক ছুটে বেড়াচ্ছেন। শিশুদের মধ্যে কেউ খেলছে ফুটবল আর কেউ খেলছে ক্রিকেট। মেয়েরা মায়েদের রান্নার কাজে সহযোগিতা করছে। আবার অনেকে ছোট বোনকে সঙ্গে নিয়ে খেলছে কানামাছি। সবকিছু মিলে জমে উঠেছে পুরো ভাসানচর।

ভাসানচর আবাসন প্রকল্পের পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী জানালেন মানসম্মত জীবনধারণের সব আয়োজন রয়েছে এখানে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ অবস্থান নিশ্চিতে সব ধরনের ত্রুটি এড়িয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *